দেশ বাংলা ডেস্ক : বেনাপোল বন্দরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ও স্বস্তি ফিরেছে । কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম আজ (৩০ জুন) সোমবার সকাল থেকে পুরোপুরি শুরু হয়েছে। রাজস্ব কর্মকর্তারা সকাল থেকে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে পণ্যের পরীক্ষণ, শুল্কায়ন ও খালাস সংক্রান্ত সকল কাজকর্ম পুরোদমে শুরু করেছেন এতে সকাল থেকেই বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি রপ্তানিও চলছে,বন্দরে পণ্য উঠানামার কাজে হ্যান্ডেলিং শ্রমিকরা স্বতঃস্ফুর্তভাবে করছে বলে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার।
বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসেসিয়েশনের কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ বলেন, সোমবার সকালে কাস্টম হাউসের রাজস্ব যোদ্ধারা কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন।এতে ব্যবসায়ীরা খুবই সন্তোষ্ঠ।
আমদানিকারকের প্রতিনিধি হিসেবে লতিফ বলেন,গত এক সপ্তাহ ধরে বেনাপোল বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় তার ১৫ থেকে ২০ট্রাক বিভিন্ন ধরনের মালামাল আটকে রয়েছে। এর মধ্যে আকিজ প্রিন্টিং ইঙ্কের কাঁচামাল আছে, হোলসিম সিমেন্টের কাঁচামাল আছে, বার্জার পেইন্টের কাঁচামাল আছে। কাস্টমস কর্মকর্তাদের কলম বিরতি ও কমপ্লিট শাটডাউন এর কারণে এসব মালামাল বন্দর থেকে ছাড় করানো সম্ভব হয়নি।এসব আমদানিকারকের ফ্যাক্টরিতে কাঁচামাল প্রায় শেষ হয়ে গেছে।আমরা দ্রুত এসব মালামাল ছাড় করানোর কাজ করছি।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন,কাস্টম হাউজে সকাল থেকেই কাজ চলছে।অনেক কাজ জমা পড়েছে তাই বিভিন্ন সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফরা স্বতঃস্ফুর্তভাবে কাজ করছে।
মুঠোফোনে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জামাল হোসেন বলেন,আমি এখন কাস্টম হাউজে আছি।কাজ করছি।বিভিন্ন ফ্যাক্টোরির তিন কনসাইনমেন্ট পণ্যে শুল্ককরাদি পরিশোধ করার পরও পণ্যচালান খালাস নিতে পারিনি।সেটা ছাড় করনের পাশাপাশি পাঁচটা কনসাইনমেন্টের কাজ চলমান রয়েছে।এসব পণ্য দ্রুত ফ্যাক্টোরিতে প্রয়োজন তাই স্টাফদের নিয়ে পরীক্ষণ, শুল্কায়ন ও পণ্যচালান খালাসের কাজে ব্যস্ত আছি।...
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের আহবানে বেনাপোল কাস্টমস হাউজে রাজস্ব কর্মকর্তারা গত ২৩ জুন সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১২টা, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলম বিরতি পালন করা হয় এবং ২৮ জুন শনিবার পরের দিন রোববার কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি পালন করেন।









