শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন;বাংলার আকাশে নতুন সূর্য উদিত

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন;বাংলার আকাশে নতুন সূর্য উদিত

৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে গোটা জাতি হয়ে যায় হতভম্ব। সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশটির নিয়ন্ত্রন চলে গিয়েছিল ৭১ এর পরাজিত শক্তির হাতে।ধংসস্তুপ রাষ্ট্রকে আলোকিত করার বাতিটা নিভে গিয়েছিল ওই হত্যাকান্ডের মাধ্যমে।কিন্তু ১৯৮১ সালে একটি বৃষ্টিভেজা বিষন্ন দিনে আলোর ঝলকানি হয়ে এসেছিল একজন পরিবার হারা মহিলা।দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে,সামরিক জান্তার রক্তচক্ষুকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পিতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করতে দেশে ফিরে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা।স্থিমিত এক দলের লাখ লাখ নেতা-কর্মীরা ফিরে পেয়েছিল প্রাণ।নতুন প্রাণে সঞ্চার হয়ে দলের লাখ লাখ নেতা-কর্মীরা নির্বাচন করেছিল তাদের নেতা।সেই থেকে পথচলা শুরু শেখ হাসিনার।স্বৈরাচার সরকারের বন্দুকের নল,বার বার হত্যাচেষ্টাও থামাতে পারে নি তার গতিপথ।এই দেশের মানুষের ভাতের ও ভোটের অধিকার রক্ষায় ১৫ টি বছর রাজপথে আন্দোলন ও সংগ্রামের পর বাংলার জনগণ তাদের দায়িত্বভার তুলে দিয়েছিল শেখের বেটির হাতে।ক্ষমতায় আসার পরই শেখ হাসিনা একটি পিছিয়ে যাওয়া দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন।বিশ্ববাসীর কাছে তখনকার শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রশংসা কুড়িয়েছিল।কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে ছিল না।ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে যখন আটকাতে পারে না কোন ক্রমেই, তখন তাকে বার বার হত্যার চেষ্টা করেছে।কিন্তু রাখে আল্লাহ মারে কে??২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট শেখ হাসিনাকে হত্যা করার যে ঘৃণ্য প্রচেষ্টা তা রক্ত দিয়ে রুখে দিয়েছিল আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা।২০০৭ সালে মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল শেখ হাসিনার আপোষহীন নেতৃত্বের কারনে।এক শেখ হাসিনার অসীম সাহসের কারনে সেদিন গনতন্ত্র ফিরে পেয়েছিল।২০০৮ সালে দেশবাসীকে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন,বলেছিলেন ক্ষমতায় আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেন।বাংলার জনগন তার আস্থার প্রতিদান দিয়ে দ্বিতীয় বারের মত তাকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিল।ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনা তার পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কাজে হাত দিয়েছেন।দেশকে দিয়েছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া,করেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।টানা ১২ বছর তার দূরদর্শী নেতৃত্বের গুনাবলী দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছেন।হেনরি কিসিঞ্জারের বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝু্ঁড়ি কথাটি আজ বিলীন।বিশ্ববাসী অবাক শেখ হাসিনার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব দেখে।কেউ কেউ এটাকে ম্যাজিকও বলছেন।তার নেতৃত্বগুণে বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ।আজ বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল।পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির মিথ্যা অজুহাতে বিশ্বব্যাংক আমাদের ঋন দেয় নি।তাতে সারা বাংলাদেশ হতাশ হয়েছিল।কিন্তু শেখ হাসিনা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন পদ্মা সেতু নির্মানের ব্যাপারে। দেশের অনেক বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদরাও তখন সম্ভাবনা দেখছিলেন না পদ্মা সেতু নির্মিত হওয়ার।এমনকি পুরো বিশ্ববাসী যখন বলেছিল সম্ভব না, এক শেখ হাসিনা তার ১৬ কোটি বাঙ্গালীকে স্বপ্ন দেখিয়ে বলেছিলেন সম্ভব।যার দরূন আজ পদ্মাসেতু দৃশ্যমান।আজ বাংলাদেশের ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিমি জুড়ে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।আজ শিক্ষা,স্বাস্থ্য সহ সকল খাতে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ার মত।একসময় দরিদ্রে জর্জরিত দেশটি আজ বিশ্বে সম্ভাবনাময় দেশ।বিশ্বের অনেক বড় বড় নেতারা শেখ হাসিনার কাছে, এই উন্নতির কথা অবাকসুরে জানতে চান।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গূরত্বপূর্ণ ইস্যু।সেদিন শুধু শেখ হাসিনা দেশে আসেননি,সেদিন বাংলার আকাশে উদিত হয়েছিল নতুন সূর্য।যে সূর্যের আলোকে আলোকিত এখন সারা বাংলাদেশ।বাংলার মানুষ চায়,তার আলোকে ঝলমলে হয়ে উঠুক পুরো বাংলাদেশ।সকল অন্ধকারাচ্ছন্ন শঙ্কা কাটিয়ে বাংলাদেশ হয়ে উঠুক সুখী,সমৃদ্ধ একটি দেশ।আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশরত্ন শেখ হাসিনাই জনগনের স্বপ্নের সারথি।

লেখকঃ মহিউদ্দিন (সাগর)

দেশ বাংলা নিউজ

দেশ বাংলা নিউজ

6 thoughts on “শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন;বাংলার আকাশে নতুন সূর্য উদিত

  1. I always used tto study piece of writing in news papers buut now as I am a user of inmternet so from
    now I am using net for articles, thank to web.
    Best online casino website ruleta casino online

  2. You actually make it seem so easy with your presentation but I find
    this matter to be really something that I think I
    would never understand. It seems too complicated and extremely broad for me.

    I am looking forward for your next post, I will
    try to get the hang of it!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *