বাপ-দাদার পূর্বসূরিদের মতো হারিয়ে গেলেন কিম

বাপ-দাদার পূর্বসূরিদের মতো হারিয়ে গেলেন কিম

অনলাইন ডেস্কঃ

রহস্যজনকভাবেই দুই সপ্তাহ ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। বিশ্বের গণমাধ্যমগুলো কখনও বলছে, কিম ভয়ানক অসুস্থ, কেউ বলছেন, কিম নেই, মারা গেছেন। কেউবা বলছেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারী করোনা ভাইরাসের কবল থেকে রক্ষা পেতে আত্মগোপনে রয়েছেন কিম।

তবে গুজব যাই হোক, সত্যিই দুই সপ্তাহ ধরে খোঁজ নেই এই ক্ষমতাধর নেতার। এমনকি দেশের সবচেয়ে বড় উৎসবের দিন উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল সুংয়ের জন্মোৎসব ‘ডে অব সান’ অনুষ্ঠানেও দেখা যায়নি কিমকে। এর আগে ১১ এপ্রিল শেষবার দেখা গেছে ক্ষমতাসিন পার্টির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে।

তবে এভাবে কিম শুধু একাই নিখোঁজ হননি, উত্তর কোরিয়ার বর্তমান এই নেতার  মতো নিখোঁজ হওয়ার ইতিহাস রয়েছে তার বাপ-দাদা পূর্বসূরিদেরও। খবর সাঊথ চায়না মর্নিং পোস্টের

কিম ইল সুং : উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল সুং ১৯৯৪ সালে মারা যাওয়ার আগে কয়েকবার তার মৃত্যুর গুজব উঠেছে। খবর প্রকাশ হয়েছে নিঁখোজ হওয়ার। ১৯৫০ সালের জুনে হঠাৎ করেই সুংয়ের সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ করে বসে। তিন বছরের ওই যুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ প্রাণ হারান। তবে শেষ পর্যন্ত ওই যুদ্ধে হার হয় সুংয়ের। এরপর অনেকদিন তার খবর পৌঁছেনি বাইরের দুনিয়ায়। হঠাৎ করেই ১৯৮৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম খবর দেয়, সুং আর নেই । ওই বছরের নভেম্বরে জাপানের একটি পত্রিকাও খবর দেয়, সুং আততায়ীর গুলিতে প্রাণ দিয়েছেন। সে সময় সীমান্তে বসানো লাউডস্পিকারেও নাকি তার মৃত্যুর খবর বলা হয়েছিল। ১৭ নভেম্বর চোসান পত্রিকা তার মৃত্যুর খবর দিয়ে অতিরিক্ত সাতপাতা নিউজ ছাপে। তবে পরদিন ১৮ তারিখ পিয়ংইয়ংয়ে মঙ্গোলিয়ার নেতাদের বরণ করতে দেখা যায় সুংকে।

দেশ বাংলা নিউজ

দেশ বাংলা নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *